The United States, France, Germany, the United Kingdom, Ireland, Belgium, Canada, Poland, Portugal, India, Switzerland, Denmark, with thanks to all the readers.


aa72f-fileI am grateful that the people of the developed countries of the world are reading my writing. I’m a writer minor. I was a journalist for a long time. Many torture, torture, death threats have all suffered. My body was covered with bruises had been hit by injuries. I wrote, on behalf of the common people. I have protested against all evil. I have taken a strong stance against Islamic militancy.
I protest the country’s many well-known masked men have taken position against me. I was fired from a lot of places I have been uncompromising. I got hungry. Treatment of injuries to the body were unable to. Still, I’m going to continue to serve humanity. You might be surprised, Islamic militants have confused my life. The cowards team could not kill me, my family has received death threats. Has threatened to kill the daughter.
I was involved in investigative journalism. The media has been established for some to conceal corruption. Media owners and media authorities to hide their corruption made.
We all know that the media is the fourth column in a state. This is the fourth pillar of shaky.
The government and the people of China that never, be transparent media. They want the media to be involved in corruption. Then maybe they will be able to cover their crime.
I’m not just the country’s thousands of victims of torture journalists. Many journalists have been killed. The torture and murder were judged until today.
You will be surprised that I am the editor of a newspaper, including 6 people have sued, but the two-year trial was to begin. I know, I never get judgment. So, I protest my writing, I’m writing this in the social media. I am grateful to all readers. However, the strange thing is, I wrote from Bangladesh in Bangladesh is very low number of readers. Which is a shame for me and for the country.
Islamic militants attacked a number of times in order to kill me. miraculously to protect them from attacks received.
This is hard to escape the life I am now. My only daughter is almost one and a half years, have not seen. Sometimes it seems to be guilty. Because, I am a father, I can not be responsible for the child. And moving the child to protect himself fled. On the other hand, the only child left in a secret location and are forced to study.
You might be surprised, aiming to save the life of the sometimes been forced to wage. Yet, all my life I came to serve the people. Asylum said human rights. The establishment of human rights came to fight. identity-less awarding identity came to fight. And, the food most of the time I get in trouble. If I wish, I wish I could make money illegally. Or if you wish to go to other countries could cross the border illegally. But I did not do it. I did not compromise with evil. Until his death, it will not.
Islamic militants are not just enemies of humanity, they are a curse to the world. So the position I have taken against them.
But the amazing thing is, the Bangladesh government has taken a stand against the Islamic militants. Yet, the government has many militants inside the host. In a sense, the fact that the government of China, the country may inhibit the militants. Islam is supported or backed by religious political parties can not bring any good to the country. The Bangladesh government has secretly involved with the Islamic militants. This country, like other faiths or secular humanistic me and for us it has become uninhabitable.
Yes, I acknowledge that I have born a Muslim. But that does not mean I’ll sided with the Islamic militants. My father is a model teacher. Educated family. We do not support Islamic extremism.
I called the religion of humanity. Hence, Hindus, Muslims, Buddhists, people of all religions, including Christianity, are equal to me. I am very realistic. I am an atheist.
A few days ago, the German embassy, I am a petition. They have a lot of questions, Document tea. I have provided everything. But the pity is that the embassy was working with me, he was transferred. Hence, another employee e-mail that said, it is not possible to shelter me.
Just two months ago, I applied for asylum in the Embassy of Australia. The petition was submitted on behalf of my citizen living in Australia. The Australian citizen, for the safety of my own initiative, took the initiative. I went to an interview with the Australian embassy. He told me that, “The Islamic militants threatened, and if I have filed a general diary?” I tried to convince them that the threat of Islamic militants, the police station diary is not any profit. And in most cases to be taken to the police station not get general diary. General did not take my diary.
Australia did not allow me embassy visa. I have a lot of trouble to fix it. However, I’m not begging for refuge to anyone. I believe, as I have for the people, are fighting for humanity. We have sacrificed their lives for the people, and in some countries or some people will one day my right.

I still believe that there is no one greater than man.
I do not know, I never would suddenly could kill Islamic militants. Therefore, I request that all readers, you will see the day, I am not writing the blog, think that on that day, I had been killed.
When I am dead by Islamic militants, I blame the political leaders of the world, including Bangladesh government. Because, I serve humanity without, I did not owe you deserve.
So, if you kill me, I do not, I have no news media should kinsfolk corruption in this country. I do not want, let me out of the mourning procession.
However, whatever the predictions, because of the politics and journalism, Bangladesh very soon going to become an Islamic militant state. The land is currently being used as a refuge for Islamic militants. Here are all the misses. And the media, human rights organizations question the role.

Speaking the truth in this country, is to kill him, or against him was filed. Was tortured. I am a victim of that.
Therefore, I request the respected readers that, if I ever get the news of the death, but I will convey to everyone predicted. Because, I want all the people to be happy, to be in peace. Islamic militants do not shelter anyone who expect. I dream of an Islamic militant-free world.
Once again, I express my gratitude to all readers.

———
Let the people to win, win, whether humanity.

United States, France, Germany, United Kingdom, Ireland, Belgium, Canada, Poland, পর্তুগাল, ইন্ডিয়া, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক, সহ সকল দেশের পাঠকদের ধন্যবাদ।

 

আমি কৃতজ্ঞ যে, পৃথিবীর উন্নত দেশ সমূহের মানুষরা আমার লেখা পড়ছেন। আমি ছোটখাট একজন লেখক। সাংবাদিকতা করছিলাম অনেকদিন। অনেক নির্যাতন, অত্যাচার, মৃত্যুর হুমকি সব সহ্য করেছি। আমার শরীরকে আঘাতে আঘাতে ক্ষত বিক্ষত করে ফেলা হয়েছে। আমি লিখেছি, সাধারন মানুষের পক্ষে। আমি প্রতিবাদ করেছি সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে। আমি শক্ত অবস্থান নিয়েছি ইসলামী জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে।

আমার এমন প্রতিবাদের ফলে দেশের অনেক মুখোশধারী নামকরা লোকজন আমার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আমি আপোষহীন হওয়ায় অনেক জায়গা থেকে আমাকে চাকরীচ্যুত করা হয়েছে। আমি ক্ষুধায় কষ্ট পেয়েছি। শরীরের আঘাতের চিকিৎসা পর্যন্ত করতে পারিনি। তারপরেও, আমি মানবতার সেবা করেই যাচ্ছি। আপনারা অবাক হবেন যে, ইসলামী জঙ্গীরা আমার জীবনকে এলোমেলো করে দিয়েছে। ওই কাপুরুষের দল আমাকে হত্যা করতে না পেরে, আমার পরিবারকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। একমাত্র কন্যা সন্তানকেও হত্যার হুমকি দিয়েছে।

আমি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত ছিলাম। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম কোন না কোন দূর্নীতি গোপন করার জন্যই প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের মালিক ও কর্তৃপক্ষ তাদের দূর্নীতি ঢেকে রাখবার জন্যই সংবাদ মাধ্যম তৈরী করেছে।

আমরা সবাই জানি সংবাদমাধ্যম হলো, একটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্থম্ভ। বাংলাদেশের এই চতুর্থ স্তম্ভ নড়বড়ে।

সরকার এবং সরকারের লোকজন কখনই চায়না যে, সংবাদমাধ্যম স্বচ্ছ হউক। তারা চায়, সংবাদমাধ্যম দূর্নীতির মধ্যে ডুবে থাকুক। তাহলে হয়তো, তারা নিজেদের অপরাধ ঢেকে রাখতে পারবে।

শুধু আমি নই, এই দেশের হাজার হাজার সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার। হত্যা করা হয়েছে অনেক সাংবাদিককে। এসব নির্যাতন এবং হত্যার কোন বিচার আজ পর্যন্ত হয়নি।

আপনারা অবাক হবেন যে, আমি একটি সংবাদপত্রের সম্পাদক সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছি, কিন্তু মামলার ২ বছরের মধ্যেও বিচার কাজ আরম্ভ হয়নি। আমি জানি, আমি কখনই বিচার পাবোনা। তাই, আমি আমার সকল প্রতিবাদ আমার লেখনির মাধ্যমে এই সামাজিব যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেই যাচ্ছি। আমি সকল পাঠকের কাছে কৃতজ্ঞ। তবে, অবাক করা বিষয় হলো, আমি বাংলাদেশ থেকে লিখলেও বাংলাদেশের পাঠকের সংখ্যা খুব কম। যা আমার জন্য এবং দেশের জন্য লজ্জার।

 ইসলামী জঙ্গীরা আমাকে হত্যা করার জন্য কয়েকবার হামলা চালায়। আমি তাদের হামলা থেকে অলোকিকভাবে রক্ষা পাই।

জীবনের এই কঠিন অবস্থায় আমি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমার একমাত্র কন্যা সন্তানের সাথে প্রায় দেড় বছর হলো, দেখা হয়নি। কখনো কখনো নিজেকে অপরাধী বলে মনে হয়। কারণ, আমি একজন পিতা হয়েও সন্তানের জন্য দায়িত্ব পালন করতে পারছি না। সন্তানকে রক্ষা করতে নিজেও পালিয়ে বেড়াচ্ছি। অন্যদিকে একমাত্র সন্তানকে গোপন স্থানে রেখে পড়াশোনা করাতে বাধ্য হচ্ছি।

আপনারা অবাক হবেন যে, জীবন বাচানোর তাগিদে কখনো কখনো দিন মজুরি করতে বাধ্য হয়েছি। অথচ, আমি সারা জীবন মানুষের সেবা করে আসলাম। মানুষের অধিকারের কথা বলে আসলাম। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই করে আসলাম। পরিচয়হীনদের পরিচয় পাইয়ে দেবার জন্য সংগ্রাম করে আসলাম। আর, সেই আমি অধিকাংশ সময়ই খাবার কষ্ট পাই। আমি ইচ্ছা করলেই, অবৈধভাবে অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারতাম। বা ইচ্ছা করলেই অবৈধ পথে সীমানা পাড়ি দিয়ে অন্যদেশে চলে যেতে পারতাম। কিন্তু আমি তা করিনি। আমি অন্যায়ের সাথে আপোষ করিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তা করবোনা।

ইসলামী জঙ্গীরা শুধু মানবতার শত্রু নয়, এরা পৃথিবীর জন্য অভিশাপ। তাই এদের বিরুদ্ধে আমি অবস্থান গ্রহণ করেছি।

কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, বাংলাদেশ সরকার লোক দেখানো ইসলামী জঙ্গীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। অথচ, সরকারের ভেতরেই রয়েছে অনেক জঙ্গী আশ্রয়দাতা। এক অর্থে, আসলে সরকারই চায়না যে, দেশ থেকে জঙ্গীদের দমন করা হউক। ইসলাম সমর্থিত বা ধর্মীয় সমর্থিত রাজনৈতিক দল কোন দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। বাংলাদেশ সরকার গোপনে ইসলামী জঙ্গীদের সাথে আতাত করেছে। এই দেশে অন্য ধর্মাবলম্বীদের বা আমার ও আমাদের মত ধর্ম নিরপেক্ষ মানবতাবাদীদের জন্য বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে।

হ্যা, আমি স্বীকার করি যে, আমি একটি মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেছি। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, আমি ইসলামী জঙ্গীদের পক্ষ অবলম্বন করবো। আমার পিতা একজন আদর্শ শিক্ষক। পরিবারের সবাই শিক্ষিত। আমরা কেউ ইসলামী উগ্রবাদকে সমর্থন করিনা।

আমি মানবতা নামক ধর্মে বিশ্বাসী। তাই, হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খৃষ্টান সহ সকল ধর্মের মানুষ আমার কাছে সমান। আমি অতি বাস্তববাদী। আমি একজন নাস্তিক।

কিছুদিন আগে জার্মান দূতাবাসে আমি একটি দরখাস্ত করি। তারা অনেক প্রশ্ন করে, ডকুমেন্ট চা। আমি সব কিছুই সরবরাহ করেছি। কিন্তু দু:খের বিষয় যে, দূতাবাসের যে ব্যক্তি আমার বিষয় নিয়ে কাজ করছিলেন, তিনি বদলি হয়ে যান। অত:পর আমাকে অন্য একজন দূবাস কর্মী ইমেইল করে জানান যে, আমাকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব নয়।

মাত্র দুই মাস আগে, অস্ট্রেলিয়া দূতাবাসে আশ্রয়ের জন্য দরখাস্ত করি। দরখাস্তটি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী একজন নাগরিক আমার পক্ষে দাখিল করেন। ওই অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক, আমার জীবনের নিরাপত্তার জন্য নিজের উদ্যোগে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। আমি বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়ান দূতাবাসে সাক্ষাৎকার দিতে যাই। সেখানে আমাকে বলা হয় যে, “আমাকে যে, ইসলামী জঙ্গীরা হুমকি দিয়েছে, তাতে আমি থানায় কোন সাধারন ডায়েরী করেছি কিনা?” আমি তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম যে, ইসলামী জঙ্গীরা যেভাবে হুমকি দেয়, তাতে থানায় ডায়েরী করে কোন লাভ হয় না। এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই থানায় সাধারন ডায়েরী গ্রহণ করা হনা। আমার সাধারন ডায়েরী গ্রহণ করা হয়নি।

আমাকে অস্ট্রেলিয়া দূতাবাস ভিসা দেয়নি। আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে এটা ঠিক। তবে, আমি কারো কাছে আশ্রয় ভিক্ষা করছি না। আমার বিশ্বাস, যেহেতু আমি মানুষের জন্য, মানবতার জন্য লড়াই করছি। মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছি, তাতে কোন না কোন দেশ বা কোন না কোন মানুষ আমাকে আমার ন্যায্য অধিকার একদিন দিবেন।

আমি আজো বিশ্বাস করি যে, মানুষের চেয়ে বড় কেহ নাই।

আমি জানিনা, কখনও হতো অতর্কিতভাবে আমাকে ইসলামী জঙ্গীরা হত্যা করে ফেলতেও পারে। তাই, সকল পাঠকের কাছে আমার নিবেদন যে, যেদিন দেখবেন, আমি আর ব্লগে লিখছি না, সেদিন ভাববেন যে, আমাকে হত্যা করা হয়েছে।

ইসলামী জঙ্গীদের হাতে আমার মৃত্যু হলে, আমি বাংলাদেশ সরকার সহ বিশ্বের রাজনৈতিক নেতাদের দায়ী করবো। কারণ, আমি মানবতার সেবা করেও, আমার প্রাপ্য পাওনা পাইনি।

তাই, আমাকে হত্যা করা হলে, আমি চাইনা, এই দেশের দূর্নীতি গ্রস্থ সংবাদমাধ্যম আমাকে নিয়ে কোন সংবাদ করুক। আমি চাইনা, আমাকে নিয়ে কোন শোক মিছিল বের করুক।

তবে, একটা ভবিষ্যৎবানী করে যাই, এসব অপরাজনীতি আর অপসাংবাদিকতার কারণে, বাংলাদেশ খুব তাড়াতাড়ি একটি ইসলামী জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিনত হতে যাচ্ছে। আর এই দেশটা বর্তমানে ইসলামী জঙ্গীদের আশ্রয় হিসাবেই ব্যবহৃত হচ্ছে। এখানে সকল সরকার ব্যার্থ। আর সকল সংবাদমাধ্যম, মানবাধিকার সংস্থার ভূমিকা প্রশ্নবোধক।

এই দেশে সত্য কথা বললে, তাকে হত্যা করা হয়, নইলে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। নির্যাতন করা হয়। যার শিকার আমি।

তাই, সম্মানিত পাঠকদের কাছে আমার নিবেদন যে, যদি কখনো আমার মৃত্যুর খবর পান, তবে আমার ভবিষ্যৎবানী সবার কাছে পৌছে দিবেন। কারণ, আমি চাই, পৃথিবীর সকল মানুষ সুখে থাকুক, শান্তিতে থাকুক। ইসলামী জঙ্গীদের কেউ যেন আশ্রয় না দেন, সে প্রত্যাশা করছি। ইসলামী জঙ্গী মুক্ত পৃথিবীর স্বপ্ন আমি দেখি।

সকল পাঠকের প্রতি আবারো কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

———

জয় হউক মানুষের, জয় হউক মানবতার।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s